মূল বিষয়ে যান
RUQYAH LIFEরুকইয়াহ লাইফ

প্রশ্নোত্তর

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন, সহজ উত্তর

রুকইয়াহ চলাকালীন যেসব প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে, সেগুলোর উত্তর এক জায়গায়। প্রশ্নে ক্লিক করলে উত্তর খুলবে।

১৮টি প্রশ্ন · ৭টি বিভাগ

রুকইয়াহ চলাকালীন

রুকইয়াহর সময় শরীরে নড়াচড়া হলে কী করব: ছেড়ে দেব, নাকি থামাব?

রুকইয়াহর সময় শরীরের প্রতিক্রিয়া তিন ধরনের হতে পারে:

১. সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য: এগুলো পুরোপুরি থামিয়ে দিন। ২. কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়: থামানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। ৩. একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে: আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শক্তি বাড়ালে ধীরে ধীরে এগুলোও নিয়ন্ত্রণে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

এই প্রতিক্রিয়াগুলো প্রতিহত করাও চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিটি ধাপ পার হলে আল্লাহ পরের ধাপ সহজ করে দেন। আল্লাহ বলেন, যারা আমার পথে সাধনা করে, আমি অবশ্যই তাদের আমার পথ দেখিয়ে দেব। (সূরা আনকাবুত ৬৯)

রুকইয়াহর পর খুব ক্লান্ত লাগে, এটা কি খারাপ লক্ষণ?

না, বরং এটি ভালো লক্ষণ। আপনার ক্লান্তি আসলে শয়তানের ক্লান্তি। এটি রাক্বীর ব্যর্থতা নয়, বরং প্রমাণ যে রুকইয়াহ কাজ করছে।

রুকইয়াহ শরীরে থাকা জাদুর গিঁট ভাঙে, কিন্তু ভাঙা অংশ শরীরে জমে থাকতে পারে। তাই রুকইয়াহ শোনা বা সেশনের পর রুকইয়াহর পানিতে গোসল করতে ভুলবেন না; এতে সেগুলো ধুয়ে যায়, ইনশাআল্লাহ।

হঠাৎ শরীর খুব গরম হয়ে যায়, এর মানে কী?

হঠাৎ অল্প সময়ের জন্য শরীরে অতিরিক্ত গরম লাগা অনেক সময় উড়ন্ত জ্বীনের উপস্থিতির লক্ষণ। আর যদি এই গরম অনুভূতি দীর্ঘ সময় চলতে থাকে, তা সাধারণত হিংসা বা বদনজরের লক্ষণ।

(উড়ন্ত জ্বীনের রুকইয়াহ দেখুন চিকিৎসা পদ্ধতি অংশে।)

পরিবার ও সম্পর্ক

ঘরে যৌথ বা ছিটানো জাদু আছে, কিন্তু পরিবারের সবাই রুকইয়াহ করতে রাজি নয়। কী করব?

ফকিহদের একটি মূলনীতি আছে: যা পুরোপুরি পাওয়া সম্ভব নয়, তার যতটুকু সম্ভব ছেড়ে দেওয়া যাবে না।

তাই কেউ চিকিৎসা নিতে না চাইলে আপনি নিজেই চিকিৎসা চালিয়ে যান:

  • যৌথ জাদুর সংযোগ ছিন্ন করার দোয়া পড়ুন (চিকিৎসামূলক বাক্য অংশে দেওয়া আছে)।
  • আন্তরিকতার সাথে দোয়া করুন যেন সব যৌথ জাদু বাতিল হয়ে যায়।
  • নিয়মিত রুকইয়াহ করুন, ধৈর্য ধরুন, বারবার করুন।

ইনশাআল্লাহ আপনি এর প্রভাব দেখবেন।

জাদু পুরোনো এবং পরিবারের অন্যদের সাথেও যুক্ত, তাহলে সুস্থ হতে এত সময় লাগছে কেন?

জাদু যদি পুরোনো হয় এবং মা, পরিবারের অন্য সদস্য বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভাগাভাগি করা থাকে, তাহলে আরোগ্যে সময় লাগে। এ ক্ষেত্রে:

  • নিয়মিত রুকইয়াহ ও ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
  • সম্ভব হলে পুরো পরিবারকে রুকইয়াহর আওতায় আনতে হবে।
  • দোয়া, কুরআন তিলাওয়াত ও শরয়ি চিকিৎসার সাথে লেগে থাকতে হবে।

ঘর ও স্থান

যে বাড়িতে আর যেতে পারি না, সেখানের জাদু নষ্ট করব কীভাবে?

অনেকের প্রশ্ন: আগে যে বাড়িতে থাকতাম, বা যে বাড়ি আমার নয় এবং সেখানে আর যেতে পারছি না, সেখানের জাদু কীভাবে নষ্ট করব? দুইভাবে:

১. নিজের চিকিৎসা করুন। রুকইয়াহ ও চিকিৎসায় শরীরে এমন প্রতিরোধ তৈরি হয় যে, শরীর আর জাদুর প্রভাব ও শক্তি গ্রহণ করে না। সাথে কথার মাধ্যমে জাদু বাতিলের চেষ্টা করুন, কারণ দোয়া শক্তিশালী, দূরেও পৌঁছায়, আর আল্লাহর অনুমতিতে আরোগ্য দেয়।

২. সেই বাড়ির জাদু বাতিলের দোয়া করুন। সুনির্দিষ্ট, বিস্তারিত ও বারবার। দোয়াগুলো চিকিৎসামূলক বাক্য অংশে দেওয়া আছে।

যেসব জায়গায় পৌঁছানো কঠিন, সেগুলোর দিকে ইশারা করে কুরআন তিলাওয়াত ও রুকইয়াহর পানি ছিটালেও প্রভাব পড়ে, ইনশাআল্লাহ।

চিকিৎসার মেয়াদ, জ্বীন ও স্বপ্ন

কতদিন রুকইয়াহ চালিয়ে যেতে হবে?

সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত। লক্ষণ চলে যাওয়ার পরও অন্তত এক মাস রুকইয়াহ চালিয়ে যান, যাতে জাদুর কোনো প্রভাব না থাকে।

সমস্যা বারবার ফিরে এলে হতে পারে:

  • একাধিক জাদু করা হয়েছে।
  • একই জাদু বিভিন্ন জায়গায় ছিটানো হয়েছে।
  • একাধিক জ্বীন ও জাদুর প্রভাব আছে।

শয়তান দুর্বল হলেও কৌশল বদলায়, তাই সতর্ক থাকুন এবং রাক্বীর সাথে যোগাযোগ রাখুন।

অমুক জায়গায়, অমুক সময়ে এই ঘটনা ঘটল, এর মানে কী?

প্রতিটি ঘটনার অর্থ জানার জন্য অস্থির হওয়া অর্থহীন।

  • প্রতিটি ঘটনার নিশ্চিত ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব ছিল শুধু নবীর পক্ষে, যাঁর কাছে ওহি আসত; ওহি এখন বন্ধ।
  • প্রতিটি হাঁচি, কাশি, ব্যথা বা অস্বস্তির ব্যাখ্যা খোঁজা সময়ের অপচয়, আর এতে দুশ্চিন্তা বাড়ে।
  • বরং চিকিৎসা ও দোয়ায় মনোযোগ দেওয়াই প্রকৃত বুদ্ধিমত্তা।

অর্থ খোঁজার চেয়ে প্রতিকার ও ইবাদতে সময় দিন, প্রকৃত মুক্তি সেখানেই।

রুকইয়াহয় জ্বীন উপস্থিত, কিন্তু কথা বলে না কেন?

অনেক সময় রোগী শুধু শরীরে স্পন্দন, হালকা নড়াচড়া, সুচ ফোটার মতো অনুভূতি, গরম ভাব বা বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা টের পান, কিন্তু জ্বীন কোনো কথা বা ইশারা করে না। এর মানে জ্বীন কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু কথা বলছে না। কারণ হতে পারে:

১. অবাধ্য ও শক্তিশালী জ্বীন: তার সাথে অন্য সহযোগী জ্বীন থাকে, যারা তাকে নীরবে কষ্ট সহ্য করতে সাহায্য করে।

২. কথা বলতে চায়, কিন্তু পারে না: হয়তো সে বধির ও বোবা, অথবা জাদুকর তাকে এমনভাবে বেঁধে রেখেছে যাতে সে কথা বলতে বা জাদুর কিছু প্রকাশ করতে না পারে। ফলে একদিকে আপনি কষ্ট পাচ্ছেন, অন্যদিকে সে রুকইয়াহর কারণে কষ্ট পাচ্ছে।

৩. বাধ্য হয়ে কাজ করছে: অনেক জ্বীন উচ্চ পর্যায়ের অন্য জ্বীনের ভয়ে কাজ চালিয়ে যায়। এরা মুক্তি চায়।

এই অবস্থায় জ্বীন নিজের বার্তা পৌঁছাতে নানা পথ নেয়, বিশেষ করে স্বপ্নের মাধ্যমে জাদু বাতিলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠানোর চেষ্টা করে, যাতে সে শরীর থেকে বের হতে পারে। তাই আমরা সবসময় বলি: আপনার স্বপ্নগুলোর দিকে মনোযোগ দিন!

স্বপ্নে যাকে ক্ষতি করতে দেখলাম, তাকে কি দোষী ধরব?

না। মূলনীতি হলো: স্বপ্ন সতর্ক হওয়ার জন্য যথেষ্ট, অভিযোগের জন্য নয়।

  • স্বপ্নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন না, আবার পুরোপুরি অবহেলাও করবেন না।
  • অর্থাৎ স্বপ্নে কাউকে আপনার ওপর জাদু করতে দেখলে তার থেকে বেশি সতর্ক থাকুন, দূরে থাকুন; যেমন তার কাছ থেকে কিছু খাওয়া বা পান করা এড়িয়ে চলুন।
  • আল্লাহ স্বপ্নের মাধ্যমে আমাদের জাদু থেকে বাঁচতে এবং ক্ষতি করতে চাওয়া মানুষদের থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করেন, যা দ্রুত আরোগ্যে সাহায্য করে এবং জাদুর উপাদান দ্রুত শুকিয়ে যায়।

ক্ষতিকারীকে স্বপ্নে দেখা কি তার ইচ্ছায় হয়? অবশ্যই তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে। সে যদি জানত আপনি দেখে ফেলবেন, আগেই আটকে দিত; কারণ আপনি জানলে সতর্ক হতেন, আর জাদুর জায়গা দেখলে তা নষ্ট করে দিতেন।

যারা স্বপ্ন দেখেন না বা ভুলে যান: অনেক সময় শয়তান মস্তিষ্ক ও অন্তরে গিঁট বেঁধে রাখে যাতে স্বপ্ন মনে না থাকে। এর জন্য দোয়া করুন এবং ছোট আঙুলের সেশনের "চোখ ও পেটের গিঁট খোলা" অংশটি দেখুন (চিকিৎসা পদ্ধতি)।

নারী, গর্ভাবস্থা ও সন্তান

আক্রান্ত মা গর্ভবতী হলে সন্তানের কী হবে? কী করবেন?

রাক্বীদের অভিজ্ঞতায় দুই অবস্থা দেখা যায়:

  • মা চিকিৎসা না নিলে অনেক ক্ষেত্রে সন্তানও প্রভাবিত হয়।
  • মা চিকিৎসা চালিয়ে গেলে সাধারণত সন্তান এই উত্তরাধিকার থেকে রক্ষা পায়, ইনশাআল্লাহ।

গর্ভাবস্থায় অনেক ওষুধ বা ভেষজ পদ্ধতি উপযোগী নয়, তাই মায়ের উচিত অন্তত দোয়া ও কুরআন দিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া।

গর্ভাবস্থায় করণীয়:

  • সূরা বাকারা ২৩৩-এর এই অংশটি বারবার পড়ুন: কোনো মাকে তার সন্তানের কারণে কষ্ট দেওয়া যাবে না, আর কোনো বাবাকেও তার সন্তানের কারণে নয়।
  • মা ও সন্তানের মধ্যে জাদুর সংযোগ ছিন্ন করার দোয়া পড়ুন (চিকিৎসামূলক বাক্য অংশ)।
  • গর্ভের সন্তানের জন্য বেশি বেশি সুরক্ষার আয়াত ও দোয়া পড়ুন: আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক ও নাস, এবং أُعِيذُكَ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ (সহিহ বুখারি ৩৩৭১)।
ঋতুস্রাবের সময় কি রুকইয়াহ বন্ধ রাখতে হবে?

না। নারী ঋতুস্রাব চলাকালীন সব চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

যা করা যায়:

  • রুকইয়াহ শোনা এবং রুকইয়াহ সেশনে অংশ নেওয়া।
  • কুরআন পড়া (মুসহাফ স্পর্শ না করে)।
  • সব দোয়া, জিকির ও চিকিৎসামূলক বাক্য পড়া।
  • রুকইয়াহর পানি পান, রুকইয়াহর তেল মালিশ ও রুকইয়াহর পানিতে গোসল।

যা থেকে বিরত থাকবেন: শুধু সরাসরি মুসহাফ (কুরআনের কপি) স্পর্শ করা। হাদিসে এসেছে, لَا يَمَسُّ الْمُصْحَفَ إِلَّا طَاهِرٌ পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া কেউ মুসহাফ স্পর্শ করবে না। (মুওয়াত্তা মালিক)

এ ছাড়া কুরআন পড়া, রুকইয়াহর পানি বা তেল ব্যবহার, গোসল ইত্যাদির ব্যাপারে শরিয়তে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। যারা এ বিষয়ে বিরোধিতা করেন, তারা যেন নির্ভরযোগ্য দলিল উপস্থাপন করেন। রোগীকে এই সময় দুর্বল হতে দেবেন না, শয়তানের সহায়ক হবেন না।

সময় ও মৌসুম

রমজানে কারো কষ্ট বাড়ে, কারো কমে। কেন?

রমজানে আক্রান্তদের অবস্থা ভিন্ন হয়: কেউ অনেক উন্নতি অনুভব করেন, কারো কষ্ট বেড়ে যায়। কষ্ট বাড়ার কারণ হতে পারে:

১. জাদুর খাদেম শক্তিশালী (মারিদ) জ্বীন এবং রমজানে শিকলে বাঁধা। তখন তার সাথে যুক্ত থাকায় রোগী কষ্ট অনুভব করেন। করণীয়: বেশি বেশি দোয়া করুন, যেন আপনার ও জ্বীনের মধ্যকার সব সংযোগ ও অনুভূতি কেটে যায়।

২. জাদুকর রমজানের জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখে। করণীয়: দোয়া করুন, যেন নতুন সব বাঁধন এবং শাবান মাসে করা সব বাঁধন বাতিল হয়ে যায়।

৩. জাদু রক্তের সাথে মিশে থাকলে রোজায় কষ্ট বাড়তে পারে। করণীয়: দোয়া করুন, যেন রক্তে থাকা সব জাদু নষ্ট হয়ে যায়, আর ইফতারে বেশি করে রুকইয়াহর পানি পান করুন।

বিশেষ পরামর্শ: আক্রান্তদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় আসর থেকে মাগরিব। এ সময় নিজের সমস্যা অনুযায়ী নির্দিষ্ট দোয়া বেশি বেশি পড়ুন।

লক্ষণ ও পার্থক্য

উড়ন্ত জ্বীন আর ঝুলন্ত জাদুর মধ্যে পার্থক্য কী?

ঝুলন্ত জাদুর (সিহর মুআল্লাক) লক্ষণ:

  • মনের চোখে নানা দৃশ্য বা ভ্রম দেখা
  • বাতাসের ধাক্কা অনুভব করা
  • কানে শিস বা সাঁই সাঁই শব্দ

এই তিনটি একসাথে থাকলে ঝুলন্ত জাদুর সম্ভাবনা বেশি।

উড়ন্ত জ্বীনের (তাইর) লক্ষণ: সাধারণত শুধু কানে শিস বা বাঁশির মতো শব্দ।

অর্থাৎ তিনটি লক্ষণ একসাথে হলে ঝুলন্ত জাদু, আর শুধু কানে শব্দ হলে উড়ন্ত জ্বীনের ইঙ্গিত।

রুকইয়াহর সময় ও পরে শরীরের প্রতিক্রিয়াগুলোর অর্থ কী?

প্রকৃত ব্যাখ্যা আল্লাহই ভালো জানেন। তবে রাক্বীদের অভিজ্ঞতায় সাধারণত:

প্রতিক্রিয়াসম্ভাব্য অর্থকরণীয়
শুরুতে প্রচণ্ড ক্লান্তি, বিরক্তি বা ব্যথা বাড়ারুকইয়ার শক্তির সাথে শয়তানি প্রভাবের প্রতিক্রিয়াধৈর্য ধরে চালিয়ে যান
বমিপেটে জমে থাকা ক্ষতিকর কিছু বের হচ্ছেপরিষ্কার পানি পান করে চালিয়ে যান
হাঁচি বা একটানা হাইহিংসা বা নজরের গিঁট খুলছেআউযুবিল্লাহ পড়ে চালিয়ে যান
অতিরিক্ত ঘামক্ষতিকর প্রভাব বের হচ্ছেঘাম মুছে চালিয়ে যান
ঠান্ডা লাগা, পরে স্বস্তিসফল রুকইয়ার লক্ষণধৈর্য ধরে চালিয়ে যান
গ্যাস বের হওয়ানজর বা ছোট জাদুর প্রভাব নষ্ট হচ্ছেজিকির ও রুকইয়াহ চালিয়ে যান
পরে গভীর ঘুম, প্রশান্তি, শরীর হালকারুকইয়াহ কাজ করছেনিয়মিত রুকইয়াহ চালান
পরে দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানাপেটে থাকা প্রভাব বের হচ্ছেবেশি পানি পান করুন, শরীর পরিষ্কার রাখুন

বমি দেখলেই সরাসরি জাদু ধরে নেওয়া যাবে না; অন্য লক্ষণ মিললে তবেই। সব প্রতিক্রিয়াই আল্লাহর অনুমতিতে হয়, তাই ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে রুকইয়াহ চালিয়ে যান।

রুকইয়াহর পানি কি গরম করা যায়?

রুকইয়াহর পানি হলো সাধারণ পানি, যার ওপর রুকইয়াহ পড়ে ফুঁ দেওয়া হয়েছে। নবী ﷺ পড়ার সময় ফুঁ দিতেন, যাতে মুখের নিঃশ্বাস পানির সাথে মেশে। গরম করলে এর প্রভাব কমে যেতে পারে।

তাই সঠিক নিয়ম: পানি, মধু, তেল বা ভেষজ পানীয় আগে গরম বা প্রস্তুত করে নিন, তারপর রুকইয়াহ পড়ুন। গরম করার আগে পড়লে উপকার কমে যেতে পারে।

জীবনসঙ্গী নির্বাচনে বারবার ভুল হয় কেন?

বারবার ভুল মানুষের সাথে সম্পর্ক বা বিয়ের কথা এগোনো অনেক সময় বিয়েতে বাধা ও দেরির একটি ধরন হতে পারে, বিশেষ করে যাদের সাথে এটি বারবার ঘটে।

সমাধান:

  • আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা ও সুধারণা রেখে দোয়া করুন।
  • বিশ্বস্ত ও বিজ্ঞ মানুষের পরামর্শ নিন।
  • ইস্তিখারা করুন।

সঠিক পথে চললে ইনশাআল্লাহ সমাধান আসবে।

সমস্যার কারণ জানি না, তাহলে কী করব?

সবচেয়ে বড় বিপদও আল্লাহর কাছে সমাধান করা সহজ। কারণ জানুন বা না জানুন, শুধু নিজের করণীয়তে গাফিলতি করবেন না: নিয়মিত আমল, রুকইয়াহ ও চিকিৎসা চালিয়ে যান, আর আল্লাহর দরবারে বিনীতভাবে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে দোয়া করুন।

আপনার প্রশ্নের উত্তর এখানে নেই?

হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠান, অথবা ফেসবুক গ্রুপে জিজ্ঞেস করুন। ব্যক্তিগত অবস্থার জন্য ডায়াগনসিস সেশন নিন।